
পিংলা থানার অন্তর্গত মুন্ডুমারি ঊষানন্দ বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মিড ডে মিলের অর্থতচরুপ ও দুর্নীতিগ্রস্ত স্বৈরাচারীর অভিযোগ তুলে স্কুলের মুখ্য দুয়ারের সামনে অবস্থান-বিক্ষোভে অংশ নেয় স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ সহ বর্তমান বেশ কিছু অভিভাবক। কিন্তু দশ বছর ধরে এত বড় দুর্নীতির আজ দশ বছর পরে কেন প্রতিবাদ মুখর কি বলছেন আমরা শুনে নেব



দুর্নীতির খবর করতে করতে সাংবাদিকদের ক্যামেরার মেমোরি প্রায় ফুল আর কলমের কালি প্রায় শেষ।চারিদিকে দুর্নীতি ও অর্থ তচরুপের কালো ছায়ায় আচ্ছন্ন হয়ে রয়েছে, আজ
মুন্ডুমারি উষানন্দ বিদ্যাপিঠের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মিড ডে মিলের অর্থ তচরূপ ও ভুরি ভুরি দুর্নীতি ও স্বৈরাচারিতার অভিযোগ তুলে স্থানীয় অভিভাবক সহ এলাকাবাসীরা অবস্থান বিক্ষোবে অংশ নেন। স্কুলের মধ্যে শুদ্ধ পানীয় জলের একটি মাত্র ট্যাপ, ছাত্র-ছাত্রীদের অভিযোগ কখনো কখনো মিড ডে মিলে পোকা চাল রান্না হয়, স্কুলের মধ্যে কোন স্থায়ী পুরুষ রাঁধুনি নেই, স্কুলের সুইপারের কাজ করতে হয় মিড ডে মিলের রাঁধুনী মহিলাদের,আর এ দিকে সাপ্তাহের প্রথম দিনই স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও সহকারি প্রধান শিক্ষক স্কুলে অনুপস্থিত। তাহলে কি দুর্নীতি অকপটে স্বীকার করে আজ স্কুলে অনুপস্থিত। কারণ অনুপস্থিত থাকলে কৈফিয়ৎ তো দিতে হবে না। দশ বছর ধরে একটা স্কুলের এত বড় দুর্নীতি চলছে লোকাল অভিভাবক এস আই, ডি আই কি চোখে কাপড় বেঁধেছিলেন।আসল কথা গড়ায় গলদ,এখানেও চাপেশ্বর সরদারের কথাই উঠিয়ে এলো, আসল কথা প্রতিবাদ করবে কে যদি সবাই দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে। এমনই ঘটনা ঘটল আজ মূন্ডুমারী ঊষানন্দ বিদ্যাপীঠে। সমস্যার সমাধান কি আদৌ উঠে আসবে নাশুধু এই স্কুলের মুখ্য দুয়ারের সামনে দাঁড়িয়ে মাইকে বক্তব্য পেশ করাই সার হবে। আজ সহ্যের বাঁধ ভেঙে গেছে, আজ দুর্নীতির প্রতিবাদে প্রতিবাদ মুখী হয়ে উঠেছে এলাকাবাসীরা। তাই দুর্নীতির আতুড় ঘরে কি প্রতিবাদের ভাষা পৌঁছবে। প্রশ্ন থাকলো আপনাদের কাছে।?